ব্রেকিং নিউজ

মোহাম্মদ চুন্নু
প্রকাশ : Oct 10, 2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

অতীশ দীপঙ্করের নামে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ওশান নিউজ প্রতিবেদক : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, বৌদ্ধ ধর্ম ও দর্শন চর্চা এবং প্রচার-প্রসারের ক্ষেত্রে পূর্ব এশিয়া তথা বিশ্বজুড়ে স্মরণীয় নাম অতীশ দীপঙ্কর। তিব্বতীরা তাকে অতীশ উপাধিতে ভূষিত করেন, যার অর্থ ‘শান্তি’। তিনি একাধারে ধর্মগুরু, শিক্ষক, পণ্ডিত, লেখক, দার্শনিক, বিতার্কিক এবং বাগ্মী। বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে মনীষী অতীশ দীপঙ্করের কীর্তি ও বিশ্বজোড়া খ্যাতিতে আমরা গর্বিত। তাঁর জ্ঞান, দর্শন, ধর্মচর্চা, কর্ম, বাংলাদেশে আরো বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। সেজন্য তাঁর জন্মভূমি বাংলাদেশে অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা করা সময়ের দাবি।
উপদেষ্টা আজ ১০ অক্টোবর শুক্রবার ঢাকার আশুলিয়ায় বোধিজ্ঞান কেন্দ্র (বৌদ্ধ বিহার) আয়োজিত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, বৌদ্ধ ধর্মের মূলনীতি হলো অহিংসা, সাম্য, মৈত্রী ও প্রীতির বন্ধনে সবাইকে আবদ্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সে লক্ষ্যে বুদ্ধের অনুসারীরা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, বুদ্ধের মতে মানুষ মৈত্রীপরায়ণ হবে; মানুষ ক্ষমাশীল হবে এবং আরো হবে লোভ ও মোহহীন। মানুষ মানুষকে শ্রদ্ধা করবে, একে অন্যকে সম্মান করবে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বৌদ্ধ ধর্মের পঞ্চশীল হলো বুদ্ধ কর্তৃক নির্দেশিত পাঁচটি মৌলিক নীতি। এ পাঁচটি নীতি মানবতাবাদী ও সার্বজনীন অধিকারমূলক যা মানবজীবনের সুনীতিপরায়ণ হওয়ার জন্য উত্তম শিক্ষা। এসব গুণাবলি অর্জন ও চর্চার মাধ্যমে মাধ্যমে সমাজ  ও রাষ্ট্রে অন্যায়, অবিচার, অনাচার, অপরাধ, দুর্নীতি বন্ধ হবে মর্মে উপদেষ্টা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সর্বদা বদ্ধ পরিকর। তিনি বলেন, দেশের সকল বৌদ্ধ বিহারে আশ্বিনী পূর্ণিমার পর হতে কার্তিকী পূর্ণিমা পর্যন্ত মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান কর্ম শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে উপদেষ্টা বলেন, সকল ধর্মই শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা প্রচার করে আসছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কোনো ধর্মীয় বিভেদ নেই। সবাই শান্তিপূর্ণ ও সহাবস্থানে থেকে নিজ ধর্ম পালন করে যাচ্ছে। কিন্তু এক শ্রেণির ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীরা সবসময় বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করে থাকে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপাল বীরাক্কোদি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দয়াল কুমার বড়ুয়া, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শুভাশীষ চাকমা, কর্নেল দিদারুল আলম প্রমুখ।
      

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যালোচনায় যমুনায় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

1

৩ দফা দাবিতে মার্চ টু সচিবালয়: শহিদ মিনারে হাজার হাজার শিক্ষ

2

এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করল নির্বাচন কমিশ

3

খরচ কমাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

4

রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভ বড়দিন

5

হাদির মতো পরিণতি ঠেকাতে সরকারকে সতর্ক থাকার আহ্বান: আসিফ মাহ

6

জুলাই সনদ অমান্য করলে দায় সরকারের: ড. খন্দকার মোশাররফ

7

২৮ অক্টোবর শহীদদের ক্ষতিপূরণ ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে:

8

বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুখবর: ১২ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা

9

রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দিনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

10

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে প্রস্তুত ফ্

11

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ জারি

12

আজ বেলা ১১টা পর্যন্ত চলবে আপিল বিভাগের কার্যক্রম

13

উপকূলীয় অঞ্চলে সতর্কবার্তা, গভীর নিম্নচাপ রাতেই স্থলভাগে আঘা

14

নতুন কুঁড়ির শিশুশিল্পীরা উজ্জ্বল করবেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক

15

এইচএসসি পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ১৬ নভেম্বর

16

পাঁচ বছরের চুক্তিতে ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিক হলেন শাকিব খান

17

রাজবাড়ীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে ‘সেন

18

মহান বিজয় দিবসে সাভারে শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

19

২০২৬–২০২৮ মেয়াদে জামায়াতের হাল ধরলেন ডা. শফিকুর রহমান

20